আবদুর রহমান জামী : বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের সুনাম ও সুখ্যাতি রয়েছে। বহির্বিশ্বের অনেক দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হয়। ওষুধশিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নের জন্য রয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর, রয়েছে কেন্দ্রীয় ওষুধাগার।
ওষুধ শিল্প যেভাবে বিকশিত হচ্ছে, ঠিক সেভাবেই এর বিপরীতে বাড়ছে নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ প্রস্তুতকারক ও সরবরাহকারীদের দৌরাত্ম্য।
ফার্মেসিগুলো মানুষকে বোকা বানিয়ে দিয়ে হাতে ধরিয়ে দেয় নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ। নকল ওষুধ খেয়ে অসুখ ভালো হওয়ার পরিবর্তে মানুষ আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। কখনো কখনো নকল ওষুধ খেয়ে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।
গত ১০ জুন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার একটি সমীক্ষা উপস্থাপন করেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, রাজধানীর ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি হয়। নিয়মিত বাজার তদারকির ৬ মাসের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(গ)-এর ১(ঙ) ধারায় খাদ্য ও ওষুধ নকল করে বিক্রি করলে অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। নকল ওষুধ তৈরির সঙ্গে যুক্ত অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত এ আইন কার্যকর করতে হবে।
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়