ডা. মো. তৌহিদ হোসাইন : ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপিক অণুজীব করোনাভাইরাসের দাপটে সারা পৃথিবী স্তব্ধ। প্রাণঘাতী এই করোনাভাইরাসের ট্রান্সমিশন চ্যানেল ভাঙতে এখন পর্যন্ত কার্যকর অস্ত্র সুরক্ষাসামগ্রী—মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, পিপিই, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, লকডাউন-শাটডাউনসহ সর্বশেষ টিকা প্রয়োগ হচ্ছে বিশ্বব্যাপী। কিন্তু কোন পন্থাটি বেশি কার্যকর—এমন প্রশ্ন অনেকের।

করোনা সংক্রমণ সংক্রান্ত কিছু তথ্য
* এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা করোনা সংক্রমণের প্রধান পথ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন নাক-মুখ-চোখ-হাত এবং রেস্পিরেটরি পার্টিকেল নামের বাহন। এই বাহন আবার আকার এবং সংক্রমণ সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে দুই রকম। একটি হলো রেস্পিরেটরি ড্রপলেট (৫-১০০০ মাইক্রোমিটার) এবং অন্যটি রেস্পিরেটরি নিউক্লিয়াই অথবা এরোসল (১-৫ মাইক্রোমিটার)। করোনা সংক্রমণের জন্য রেস্পিরেটরি ড্রপলেট এবং হ্যান্ড-ফোমাইটসের মাধ্যম দায়ী ৯৯ শতাংশ। আর মাত্র ১ শতাংশ দায়ী রেস্পিরেটরি এরোসল। রেস্পিরেটরি পার্টিকেল তৈরি হয় মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস, কথাবার্তা, গান-বক্তৃতা, হাঁচি-কাশি ইত্যাদির সময়।

* মানুষের হাঁচি-কাশির সময় যে রেস্পিরেটরি ড্রপলেট বের হয় তা বাইরে এসে তিন ভাগ হয়। প্রথমাংশ নিজের জামাকাপড়, চেয়ার-টেবিল ইত্যাদিতে পড়ে, দ্বিতীয়াংশ ড্রপলেট হিসেবেই মাটিতে পড়ে এবং সর্বশেষ অংশ ড্রপলেট ভেঙে রেস্পিরেটরি এরোসল হিসেবে বাতাসে ভেসে বেড়ায়।

* আমেরিকান জার্নাল অব রেসপিরেটরি অ্যান্ড ক্রিটিকাল কেয়ার মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, একটি কাশি ও হাঁচিতে যথাক্রমে তিন হাজার ও ৪০ হাজার রেস্পিরেটরি ড্রপলেট (৫-১০০০ মাইক্রোমিটার) বের হয়ে আসে। ১০০ ও ১০ মাইক্রোমিটার সাইজের একটি ড্রপলেট যথাক্রমে ১০ ও ২০ সেকেন্ডের মধ্যে মাটিতে পড়ে। একজন সুপারস্প্র্রেডার একটি জোরে হাঁচিতে ২০ কোটি ভাইরাস পার্টিকেল ছাড়ে। আবার ১-৫ মাইক্রোমিটার সাইজের রেস্পিরেটরি ড্রপলেট নিউক্লিয়াই হালকা হওয়ার কারণে চলমান বাতাসে ঘুরে বেড়ায়।

* একজন করোনা আক্রান্ত রোগীর সঙ্গে এক টেবিল বা পাশাপাশি টেবিলে বসে কথা বলা, খাওয়াদাওয়া বা মুখোমুখি কথাবার্তায় ১০ মিনিটের মধ্যে অন্য সবাই সংক্রমিত হতে পারে। এ ব্যাপারে নিয়ম হলো, যত বেশি ভাইরাল লোড, যত বদ্ধ ঘর এবং যত সময় যত অন্য কো-মর্বিড রোগী একসঙ্গে অবস্থান করবে—সে অনুপাতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তত বাড়বে। এ অবস্থায় বদ্ধ ঘরে স্পিলিট এসি চালু থাকলে ওই রুমে অবস্থানকারী সবাই করোনা আক্রান্তের ঝুঁকিতে পড়ে। কারণ স্পিলিট এসি ঘরের বাতাস টেনে নিয়ে ঠাণ্ডা করে আবার ঘরেই ছেড়ে দেয়।

* একজন করোনা আক্রান্ত রোগী স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে প্রতি মিনিটে যথাক্রমে ২০-৩০টি এবং কথাবার্তা বলার সময় ২০০-৩০০টি ভাইরাস পার্টিকেল বাতাসে ছাড়ে। অর্থাৎ স্বাভাবিক কথাবার্তা বলার সময় শ্বাস-প্রশ্বাসের চেয়ে ১০ গুণ বেশি ভাইরাস পার্টিকেল ছাড়ে।

* রেস্পিরেটরি ড্রপলেট দুইভাবে রোগ ছড়ায়। একটি হলো মাস্কবিহীন সরাসরি সামনাসামনি অবস্থানে থেকে কথাবার্তা বলাবলি ও হাঁচি-কাশির মাধ্যমে। আরেকটি হলো করোনা রোগীর ব্যবহার্য দ্রব্যাদি ব্যবহার করে।

* ড্রপলেট ভারী হওয়ার কারণে মাটিতে পড়ে যায় আর এরোসল হালকা হওয়ার কারণে বদ্ধ পরিবেশে দুই-তিন ঘণ্টা বাতাসে ভেসে বেড়ায়। সুতরাং মাস্কবিহীন সামনাসামনি অবস্থান করা আর আক্রান্ত রোগীর ফোমাইটস ধারণ, ড্রপলেট ইনফেকশনের এক নম্বর কারণ। স্পিলিট এসি সংযুক্ত বদ্ধ অফিস, হোটেল-রেস্তোরাঁ আর ঘর-জানালা, করোনা সংক্রমণের বড় কারখানা। বদ্ধ পরিবেশে একজন করোনা রোগী আরেকজন সুস্থ লোকের তিন ফুট দূরত্বের মধ্যে হাঁচি বা কাশি দিলে দুই-তিন মিনিটের মধ্যে এক হাজার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে।

* বদ্ধ ঘরে একজন করোনা আক্রান্ত রোগীর হাঁচি-কাশি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই ঘরে কোনো সুস্থ লোক ঢোকার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই আক্রান্তের ঝুঁকিতে পরে। ওই রকম একটি বদ্ধ ঘরে শুধু সাধারণ শ্বাস-প্রশ্বাসে প্রতি মিনিটে যে ২০-৩০টি ভাইরাস পার্টিকেল ছাড়ে তা দিয়ে ঘরে থাকা একজন সুস্থ লোক ৫০ মিনিটে এক হাজার ভাইরাস পার্টিকেল নিজের অজান্তেই নিজের শরীরে ঢোকায়। তবে ওই পরিবেশে একজন লোক করোনা আক্রান্ত হবে কি না তা নির্ভর করে ব্যক্তির ইমিউন সিস্টেমের অবস্থা, ভাইরাসটির সংক্রমণ ও রোগগ্রস্ত করার ক্ষমতা, হাঁচি-কাশিতে ভাইরাসের পরিমাণ ও দেহের বাইরে ভাইরাসের অবস্থানের সময়, রোগীর সঙ্গে সুস্থ লোকের দূরত্ব ও অবস্থানের সময়, পরিবেশ, বয়স, কো-মর্বিডিটি ইত্যাদির ওপর। বিজ্ঞানীদের মতে, কেউ আক্রান্ত হওয়ার জন্য ৫০-১০০০টি ভাইরাস পার্টিকেলই যথেষ্ট।

উপায় মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মানা
ওপরে বর্ণিত সব অবস্থায় সরাসরি ও তাৎক্ষণিকভাবে যে ব্যবস্থাটি করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে পারে তা হলো মাস্ক ব্যবহার ও করোনার স্বাস্থ্যবিধি মানা। এখানে টিকার সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই। শুধু টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তি, যাদের শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে এবং যাদের টিকা গ্রহণের পর অন্তত দুই সপ্তাহ অতিবাহিত হয়েছে তারাই কমবেশি রক্ষা পাবে। টিকা নেওয়ার পর ১৫ দিন অতিবাহিত হয়েছে; কিন্তু ব্যক্তি যেকোনো কারণে ইমিউনো কম্প্রোমাইজড বা বয়স্ক এবং পুরো সমাজে করোনার বিরুদ্ধে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হয়নি—এ রকম একটা অবস্থায় মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি মানা ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়।

জেনে রাখা দরকার, বদ্ধ অফিস-আদালত, ক্লাসরুম, ঘর-করিডোর, জনসমাগম, হোটেল-রেস্তোরাঁ, হাট-বাজার আর স্থির বাতাসে করোনা সংক্রমণ হয়, রাস্তাঘাট বা খোলা পরিবেশে নয়। রোগ ছড়ানোয় হাতের ভূমিকা অনেকটা বিয়ের ঘটকের মতো। হাতের স্পর্শ দ্বারা রোগ-জীবাণু নিয়ে সুস্থ মানুষ পর্যন্ত পৌঁছতে দূতিয়ালির ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। ২০১৬ সালে নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি সমীক্ষায় বলা হয়, মানুষ প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ২৩ বার হাত দিয়ে মুখ স্পর্শ করে।

দুটি সহজ ও কার্যকর পন্থা
লকডাউন-শাটডাউন বেশ কার্যকর ও ফলপ্রসূ পন্থা হলেও এর বাস্তবায়ন অত্যন্ত কঠিন বিবেচনায় বিজ্ঞানীরা করোনা দমনে দুটি সহজ কার্যকর ‘টিকা পন্থা’য় বেশি মনোযোগী হয়েছেন। এর একটি নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরিধান করা ‘টিকা’ এবং অন্যটি ইনজেকশন পুশ করা ‘টিকা’। একটি হলো রোগ-জীবাণু শরীরে ঢোকার রাস্তা ব্লক করে দেওয়া, অন্যটি হলো শরীরে ঢোকার পর তাকে মেরে ফেলা। এই দুটির মধ্যে সবচেয়ে সস্তা কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর পন্থা হলো, ভাইরাসের প্রবেশপথ বন্ধে মাস্ক পরিধান করা। সে হিসেবে মাস্ক পরিধানই হলো সবার আগে বাস্তবায়নযোগ্য সবচেয়ে বড় ‘টিকা’। তবে মাস্ক পরিধান করলেও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি ও টিকা প্রক্রিয়ার সঙ্গেও সম্পৃক্ত রাখতে হবে।

মাস্ক বনাম টিকা
* এপিডেমিওলজি বিশেষজ্ঞরা বলেন, রোগ-জীবাণুর চ্যানেল ব্লকে মাস্ক ব্যবহার তথা স্বাস্থ্যবিধির একক ভূমিকা থাকলেও টিকার সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই। এ ক্ষেত্রে তিনটি বড় উপায় আছে আর তা হলো—মাস্ক পরিধান করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সব ধরনের কাজ করা এবং সম্ভাব্য সংক্রমিত হাত দ্বারা নাক, মুখ ও চোখ স্পর্শ না করা। একটি চীনা গবেষণা প্রতিষ্ঠান বলছে, রোগ-জীবাণুর চ্যানেল ব্লক পদ্ধতির সঠিক প্রয়োগে ৭৯ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধ সক্ষম।

* মাস্কবিহীন টিকা বা টিকাবিহীন মাস্ক কোনোটাই শতভাগ কার্যকর নয়। মাস্ক পরিধানের কারণে ভাইরাস মারা যায় হোস্টের অভাবে। প্রচলিত টিকা গ্রহণে ভাইরাস নিষ্ক্রিয় হয় হোস্টের ভেতর।

* মাস্ক পরিধান-স্বাস্থ্যবিধি করোনা নিয়ন্ত্রণে সুফল আনে স্বল্প মেয়াদে এবং টিকা কার্যক্রমে সুফল আসে দীর্ঘ মেয়াদে।

* মাস্ক পরিধানে চ্যানেল সম্পূর্ণ ব্লক করা গেলে উপসর্গহীন, উপসর্গযুক্তসহ সব ধরনের করোনাক্রান্তের আশঙ্কা কমে। কিন্তু প্রচলিত টিকা গ্রহণে উপসর্গহীন এবং মৃদু উপসর্গযুক্ত রোগ-বালাইয়ের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তবে এটা ঠিক, টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তি করোনাক্রান্ত হলেও অন্যকে সংক্রমণ করার ঝুঁকি অনেক কম হয়।

* টিকা গ্রহণের পর সংক্রমিত হলেও তা অতটা জটিলতা তৈরি করে না। এ জন্য বলা যায়, টিকা গাড়ির ড্রাইভিং সিটে বসা ড্রাইভারের কোমরে বাঁধা সিটবেল্টের মতো, যা তাকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে পারে না বটে; কিন্তু দুর্ঘটনা ঘটে গেলে তাকে কিছুটা হলেও সুরক্ষা দেয়।

* টিকা গ্রহণে চলতি সংক্রমণ ঠেকানো যায় না। এর কার্যকারিতা মেলে টিকা গ্রহণের দুই সপ্তাহ পর। কিন্তু মাস্ক পরিধানের উদ্দেশ্যই হলো চলতি সংক্রমণ ঠেকানো। গবেষণায় দুই ডোজ টিকা নেওয়া মানুষের নাসারন্ধ্র ও গলবিলে করোনার জীবাণু দেখা গেছে।

* টিকা হলো সারা রাত জেগে থাকা বাড়ির পাহারাদার বা গ্রামের চৌকিদারের মতো, যিনি শত্রু ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে সবাইকে জাগিয়ে তুলবেন। আর মাস্ক হলো কাঁটাতারের বেড়া, যা শত্রুকে তার ত্রিসীমানায়ই ঢুকতে দেবে না।

* বয়স্ক, দুর্বল ও ইমিউনো কম্প্রোমাইজড ব্যক্তিরা টিকা নিলেও ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হওয়ার কারণে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয় না। ক্যান্সার রোগীর জন্য কভিড অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি যাঁরা নিচ্ছেন— তাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম। যাঁদের ফুসফুসে ক্যান্সার আছে এবং নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত তাঁরা আরো ঝুঁকিপূর্ণ। লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা, এইচআইভি, মাল্টিপল মায়েলোমাতে সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টিকারী কোষকেই আক্রমণ করে। তাহলে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করবে কে? এ জন্য মাস্ক পরিধান শ্রেয়।

* টিকা নেওয়া থাকলেও নতুন ভেরিয়েন্টে যে কেউই আক্রান্ত হতে পারে। আবার গবেষণায় দেখা গেছে, টিকাপ্রাপ্ত রোগীরা নিজেরা আক্রান্ত না হলেও তাদের নাসিকায় বা গলবিলে করোনাভাইরাস থাকলে তার মাধ্যমে অন্যরা আক্রান্ত হতে পারে। তাহলে এসব ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপের সুরক্ষা কোথা থেকে মিলবে? এর উত্তর হলো, মাস্ক পরিধান করা এবং করোনার স্বাস্থ্যবিধি মানা। হার্ড ইমিউনিটি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তা চালাতেই হবে।

* করোনাভাইরাসের সব ভেরিয়েন্টই মাস্কে আটকা পড়ে। মাস্ক ব্যবহার করা সব ধরনের করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধেই সমান কার্যকর। কিন্তু টিকা সব ধরনের ভেরিয়েন্টের বিরুদ্ধে সমান কার্যকর নয়। মাস্ক পরিধান তথা স্বাস্থ্যবিধি বায়ুবাহিত সব ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া-ফাংগাল রোগই প্রতিহত করে। কিন্তু টিকা শুধু করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধেই কার্যকর।

* মাস্ক পরলে, কিছু সময় পরপর সাবান-পানিতে হাত ধুলে আর জনসমাগম যথাসম্ভব এড়িয়ে চললে করোনা সংক্রমণ ৯০-৯৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। সার্জিক্যাল মাস্ক খুব সহজলভ্য, সস্তা অথচ রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। সিঙ্গল লেয়ার সার্জিকাল মাস্ক দুটি করে পরলে প্রায় ৯০ শতাংশ সুরক্ষা হয়। তবে কাপড়ের মাস্কের সুবিধা হলো, বাড়ি এসে ভালো করে সাবানে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে আবার তিন দিন পর ব্যবহার করা যায়।

সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, হিস্টোপ্যাথলজি বিভাগ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি শেরেবাংলানগর, ঢাকা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *