করোনা নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলে মনে করেন বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিনিং। তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে অনেকটাই। গত এক সপ্তাহে উহান ছাড়া অন্য প্রদেশের কলকারখানায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। ফলে আগামী সপ্তাহ থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে চায়না বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতের মেগা প্রকল্পে কোনো সমস্যা হবে না। কারণ চীন সরকার প্রতিশ্রুতি অনুসারে এবং লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কারখানার উৎপাদন পরিপূর্ণ করে করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে যেসব চীনের কর্মকর্তারা কাজ করতেন তাদের ১০ শতাংশের মতো ইতিমধ্যে ফিরে এসেছেন। ফলে বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতের উন্নয়নে কোনো সমস্যা হবে না।

এ ছাড়া তিনি আরো বলেন, উহান প্রদেশ বসবাসরত বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীদের খাদ্যের কোনো সংকট নেই। তবে তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। ছাত্রদের প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত খাদ্য পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের কোনো ছাত্র-ছাত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নয়। সবাই সুস্থ আছেন।
বাংলাদেশ আমদানিতে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন থেকে বাংলাদেশ প্রায় ৭০ শতাংশ কাঁচামাল আমদানি করে। এসব আমদানি করা কাঁচামালের মধ্যে রয়েছে বস্ত্রখাতের কাঁচামাল পোশাক খাতের ওভেন ফেব্রিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ইত্যাদি। তবে উঠেছে এসব পণ্য খুবই কম উৎপাদন হয়।

চায়না বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি গাজী গোলাম মোর্তজা সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চায়না বাংলাদেশ চেম্বারে মহাসচিব মো. শাহজাহান মৃধা বেনু এবং চেম্বারের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *