শহর-গ্রামে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। ঢাকাও কাঁপছে পৌষের শীতে। ঘন কুয়াশাপূর্ণ আবহাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত। সেই সাথে চলছে শৈত্য প্রবাহ।

শীতের কষ্ট বয়স্ক এবং শিশুদের জন্য বেশি। হাজার-লক্ষ লক্ষ শিশু-বৃদ্ধ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বাংলাদেশের আনাচে কানাচে। জীবন তাদেরও! আর এই কষ্ট বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বেশি। কারণ উত্তরের জেলাগুলো হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত। উত্তরের জেলাগুলোতে এখন ৬ -৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা। শীতের তীব্রতা বেশি হলেও এই অঞ্চলের মানুষ গুলোর ভালো শীতের পোশাক কেনার সামর্থ্য হয় না। তাই শীতে তাদের অমানবিক জীবন অতিবাহিত হয়। এমন অসহায় মানুষ গুলোর পাশেই দাঁড়িয়েছে ডু সামথিং ফাউন্ডেশন ।

ডু সামথিং ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১৯ এবং ২১ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম ভুরুঙ্গামারী থানার পাগলার হাট চর, উত্তর তিলাই, ঠাকুরগাঁও জেলার ভুল্লী এবং পঞ্চগড় জেলার দ্বেবিগঞ্জ উপজেলার সাকোয়া, পামুলি গ্রামের হত দরিদ্র ৫০০ মানুষকে শীতবস্ত্র দেয়া হয়।

এসময় ডু সামথিং ফাউন্ডেশনের ট্রেজারার জাকির হোসেন মানিক, স্বেচ্ছাসেবক আব্দুল আওয়াল লিলন সহ স্থানীয় বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।
জাকির হোসেন মানিক বলেন, মূলত আমরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কম্বল গুলো বিতরণ করতে এসেছি। আপনারা যে কম্বল গুলো পেয়েছেন তা বিভিন্ন সাদামনের মানুষের অর্থায়ন করার কারণে বিতরণ করা সম্ভব হয়েছে ।

উল্লেখ্য,চিকিৎসকদের সামাজিক সংগঠন ডু সামথিং ফাউন্ডেশন ২০১৬ সাল থেকে সমাজের অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনটি প্রতি বছরই উত্তরাঞ্চলে শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করে থাকে। এবার তারা ৫০০০ জন অসহায় মানুষকে কম্বল বিতরণ করার লক্ষ্য নিয়েছে। বিভিন্ন দুর্যোগে কাজ করা ছাড়াও সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের জন্য স্কুল পরিচালনা, চরে স্বাস্থ্য কেন্দ্র পরিচালনা সহ বিভিন্ন মানবিক কাজ করে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *