চীনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সামাল দিতে ১০ দিনের মধ্যে নতুন হাসপাতাল তৈরি করছে দেশটি। আজ শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানায় বলে এএফপির খবরে বলা হয়েছে।

হাসপাতালটি তৈরি করা হবে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে। আশা করা হচ্ছে, ৩ ফেব্রুয়ারি এই শহরের রোগীরা নতুন ওই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারবেন। এই শহরে সবচেয়ে বেশি মানুষ ওই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন।

এরই মধ্যে দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্তত ৮৩০ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। এঁদের মধ্যে ১৭৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ৩৪ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, ২৫ হাজার বর্গমিটারজুড়ে নির্মিতব্য এই বিশাল হাসপাতালে ১ হাজার শয্যা থাকবে।

সিনহুয়া জানায়, চিকিৎসাসংক্রান্ত সম্পদের অভাব ও রোগীদের আরও ভালোভাবে দেখভালের লক্ষ্যে এ হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে। অন্যান্য হাসপাতালে রোগীদের চাপ সামলাতে না পারায় নতুন এই হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ২০০২ থেকে ২০০৩ সালের সার্স ভাইরাসের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। ওই সময় চীনের মূল ভূখণ্ডে ও হংকংয়ে প্রায় ৮০০ জন মানুষ মারা যায়। ওই পরিস্থিতিতে ২০০৩ সালে বেইজিংয়ের এক প্রত্যন্ত এলাকায় এক সপ্তাহের মধ্যে একটি হাসপাতাল তৈরি করা হয়।

চীন কর্তৃপক্ষ জানায়, উহান শহরের সামুদ্রিক খাবারের বাজারে বন্য প্রাণী থেকে এ ভাইরাসের ছড়িয়েছে। কিন্তু পরে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ও যুক্তরাষ্ট্রেও এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।

চীনা কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে ১৩টি শহরের গণপরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে গণজমায়েত ও গণ–অনুষ্ঠান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *