ভ্রূণ হত্যা রুখতে শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ নিষেধ করে অনন্য উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশের একজন সিভিল সার্জন। বিষয়টি ব্যাপক প্রশংসিত হলেও কন্যাশিশুর ভ্রূণ নিবারণে আগ্রহীরা নেতিবাচক প্রোপাগান্ডা শুরু করেছে। তাতে দমছেন না ডাক্তার প্রশাসক। ঘটনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার। এই জেলার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে অনাগত শিশুর লিঙ্গ বলা নিষিদ্ধ করেছে সিভিল সার্জন কার্যালয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. শাহ আলম এ নিয়ে মিডিয়ার সঙ্গে কথাও বলেছেন।

এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডা. শাহ আলম জানান, সম্প্রতি মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক একটি সভায় বেশকিছু সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে শিশুর লিঙ্গ বলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এখন থেকে কোনো হাসপাতালে আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে শিশুর লিঙ্গ বলা যাবে না। এজন্য চিকিৎসকসহ জেলার সব হাসপাতালে চিঠি দেয়া হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানান,আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় গর্ভস্থ শিশুর নানা মেডিকেল হাল জানার জন্য। শিশুর লিঙ্গ জানার জন্য নয়। কিন্তু বাংলাদেশসহ উপমহাদেশে বিষয়টি অপব্যবহার করা হয়। অীভভাবকরা শিশুর অবস্থা জানার উছিলায় লিঙ্গ জেনে নেন। অনেক ক্ষেত্রে অনৈতিকভাবে গর্ভপাতের মাধ্যমে অনাগত শিশুকে হত্যা করা হয় বিভিন্ন অবৈধ ক্লিনিকে। স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে নানা অঅনৈতিক কাজ হয়। শেষে সকল দোষ ডাক্তারদের হয়। ডাক্তাররা শিশুর লিঙ্গ অভিভাবক বা পিতামাতাকে জানাতে বাধ্য নন। তারা তা শুধু চিকিৎসার জন্য ডাক্তারকে জানাতে বাধ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *