মুখে খাওয়ার করোনার ট্যাবলেট মলনুপিরাভ বিক্রি ও সরবরাহের জন্য অনুমতি চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) কাছে সোমবার আবেদন করেছে বহুজাতিক ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা মেরেক। বার্তা সংস্থা এপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে এফডিএ’র সিদ্ধান্ত পেতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। যদি এফডিএ মলনুপিরাভের অনুমোদন দেয় তাহলে এটাই হবে করোনা চিকিৎসায় এফডিএ অনুমোদিত প্রথম মুখে খাওয়ার ওষুধ। এর আগে করোনা চিকিৎসায় আইভি বা ইনজেকশনের অনুমোদন দিয়েছে এফডিএ।

কয়েকদিন আগেই মেরেক এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল নির্দিষ্ট কিছু মাইলফলক অর্জিত হলেই সিঙ্গাপুরে মলনুপিরাভ ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের অনুমতি পাবে। তবে কী ধরনের মাইলফলক অর্জন করতে হবে সে ব্যাপারে মার্কিন এই ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাটি বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ওই বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রে অনুমোদনের আবেদনের ব্যাপারেও কিছু বলা হয়নি।

তবে মলনুপিরাভের ব্যবহারিক প্রয়োগের সময় অংশীদার প্রতিষ্ঠান রিজব্যাকের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে এ ওষুধের জরুরি ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হবে বলে জানিয়েছিল মেরেক।

এছাড়া মলনুপিরাভিরের জরুরি ব্যবহারের জন্য অন্যান্য দেশের ওষুধ নিয়ন্ত্রণক সংস্থার কাছেও অনুমতি চাইবে বলে জানিয়েছিল মেরেক ও রিজব্যাক বায়োথেরাপিউটিকস।
মলনুপিরাভের ব্যবহারিক প্রয়োগে দারুণ সাফল্যের পর মেরেক দাবি করেছিল মুখে খাওয়ার এই ওষুধ করোনার মৃত্যুর ঝুঁকি ও হাসপাতালে ভর্তির হার অন্তত ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে পারবে।

মেরেক জানিয়েছিল, তাদের তৈরি মুখে খাওয়ার ওষুধ মলনুপিরাভির কোভিড আক্রান্তদের মৃত্যুর হার ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে পারছে বলে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে দেখেছেন তারা। এছাড়া ওই ওষুধ প্রয়োগের ফলে কোভিড আক্রান্তদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার হার কমিয়ে দেওয়ার ব্যাপারেও সাফল্য পেয়েছে মেরেক।

পরীক্ষামূলক প্রয়োগে সাফল্য পাওয়ার পর ওই ওষুধের তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের সমাপ্তি ঘোষণা করে মেরেক ও রিজব্যাক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *