এক কোটিরও বেশি মানুষকে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা প্রদান করেছে দেশের অন্যতম উদীয়মান স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান লাইফস্প্রিং।
এছাড়াও, ১ লক্ষ ২৫ হাজার সেবাগ্রহীতাদের সরাসরি মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বিগত পাঁচ বছরে দেশে সহজলভ্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানসহ সার্বিক স্বাস্থ্যসুরক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে লাইফস্প্রিং।
সম্প্রতি শারীরিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য করে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে। বর্তমানে তারা একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ৩৬০-ডিগ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে, যা আগামী মাস থেকে শুরুর কথা রয়েছে।
২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর, লাইফস্প্রিং বাংলাদেশে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় হেলথ স্টার্টআপ হিসেবে লাইফস্প্রিং, ২০২১ সালে বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্রান্ট (বি আইজি) অর্জন করেছে। বর্তমানে লাইফস্প্রিং-এর ৪টি পরিষেবা কেন্দ্র রয়েছে।
এদের মধ্যে; ঢাকার পান্থপথে ২টি, বনানীতে ১টি এবং চট্টগ্রামে ১টি। আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশজুড়ে আরও ২০টি পরিষেবা কেন্দ্র চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা ইকোসিস্টেমের উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ লাইফস্প্রিং, বর্তমানে নিজস্ব অ্যাপ তৈরি করছে।
এর সাহায্যে স্বাস্থ্যসেবাকে স্বয়ংক্রিয় করার মাধ্যমে আরও দ্রুত ও দক্ষ সেবা প্রদানই তাদের লক্ষ্য। লাইফস্প্রিং গবেষক, অনুশীলনকারী, নীতি বিশেষজ্ঞ, আইনি উপদেষ্টা এবং অন্যান্য সাম্প্রদায়িক নেতাদের সাথে নিয়মিত কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটি ম্যারিকো, ইউনিলিভার, গ্রামীণফোন, কোকা-কোলা নেসলে ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য ব্র্যান্ডের সাথে কাজ করেছে। লাইফস্প্রিং বিগত পাঁচ বছরে বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।
লাইফস্প্রিং-এর চেয়ারম্যান এবং লিড সাইকোলজিস্ট ইয়াহিয়া মো. আমিন বলেন, “এটি অত্যন্ত গর্বের যে, আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতার আওতাধীন মানুষের সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়ে গেছে। একটি কমিউনিটি-ভিত্তিক, পেশেন্ট-ফার্স্ট পদ্ধতিতে লাইফস্প্রিং দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। বিশ্বের ১৮টি দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিরা সাইকোলজিক্যাল সাপোর্টসহ নানান চিকিৎসা পরামর্শের জন্য লাইফস্প্রিং-এর সাথে যোগাযোগ করছে, যা সত্যিই একটি গৌরবময় অর্জন।”
লাইফস্প্রিং-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং লিড সাইকিয়াট্রিস্ট সায়েদুল আশরাফ বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করাই আমাদের উদ্দেশ্য। সেইসাথে আমরা শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতার গুরুত্ব সম্পর্কে সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে চাই। আমাদের সেবাসমূহ সম্প্রসারণের মাধ্যমে আমরা সামাজিক সচেতনতা ও শারীরিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী শাখাও চালু করছি।”
তিনি আরও বলেন, “সতর্কতার সাথে পরিকল্পিতভাবে স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রচার চালিয়ে যাওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”
লাইফস্প্রিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: https://www.lifespringint.com/