নমুনা পরীক্ষা বেশি হওয়ায় বরাবরের মতো গত ২৪ ঘণ্টায়ও সর্বাধিক করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। তবে এই সময়ে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্ত হারে ঢাকাকে ছাড়িয়ে গেছে বাকি সাত বিভাগ। একই সঙ্গে ২৪ জুলাইয়ের পর প্রায় ছয় মাসের মধ্যে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে সর্বোচ্চ রোগী শনাক্ত হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ হাজার ৮৫৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১০ হাজার ৯০৬ জনের দেহে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

শনাক্তের হার ৩১.২৯ শতাংশ। সর্বশেষ এর চেয়ে বেশি শনাক্ত হারের খবর এসেছিল গত ২৪ জুলাই। ওই দিন শনাক্তের হার ছিল ৩২.৫৫ শতাংশ, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৩৭.০৮ শতাংশ শনাক্তের হার ছিল ময়মনসিংহ বিভাগে। অর্থাৎ ১০০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৭ জনের বেশি মিলছে করোনা রোগী। এই সময়ে সর্বনিম্ন ৩০.১২ শতাংশ শনাক্তের হার ছিল ঢাকা বিভাগে। অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে রংপুরে ৩৬.৫৮ শতাংশ, সিলেটে ৩৬.১৩ শতাংশ, খুলনায় ৩৪.৫১ শতাংশ, রাজশাহীতে ৩৪.৩৬ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৩২.৮০ শতাংশ ও বরিশালে ৩০.৩১ শতাংশ ছিল শনাক্তের হার। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট নমুনা পরীক্ষার ৬৯.৪৫ ভাগ (২৪ হাজার ২০৬টি) হয়েছে ঢাকা বিভাগে। শনাক্ত রোগীর ৬৬.৮৬ ভাগ (৭ হাজার ২৯২ জন) পাওয়া গেছে এই বিভাগে। এ ছাড়া ময়মনসিংহে ৫০৭টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮৮ জনের, চট্টগ্রামে ৪ হাজার ৭১৩টি নমুনা পরীক্ষায় ১ হাজার ৫৪৬ জনের, রাজশাহীতে ১ হাজার ৫২৮টি নমুনা পরীক্ষায় ৫২৫ জনের, রংপুরে ৪৫১টি নমুনা পরীক্ষায় ১৬৫ জনের, খুলনায় ১ হাজার ৪১১টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৮৭ জনের, বরিশালে ৫৭৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১৭৪ জনের ও সিলেটে ১ হাজার ৪৬৪টি নমুনা পরীক্ষায় ৫২৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
গত এক দিনে করোনায় মারা গেছেন ১৪ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৮২ জন। গতকাল পর্যন্ত দেশে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৬ লাখ ৮৫ হাজার ১৩৬ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৮৬১ জন। প্রাণ হারিয়েছেন ২৮ হাজার ২২৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের বয়স ছিল ৩১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে। ঢাকা বিভাগে ৫ জন, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ২ জন করে এবং খুলনা, বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ১ জন করে মারা গেছেন। সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *