করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে সিলেটে টিকার (ভ্যাকসিন) প্রতি আগ্রহ বেড়েছে মানুষের। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ টিকার জন্য নিবন্ধন করছেন। নিবন্ধিতরা টিকা গ্রহণের জন্য ভিড় করছেন নির্ধারিত কেন্দ্রে। কিন্তু মাত্র দুটি কেন্দ্রের মাধ্যমে সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। এর প্রেক্ষিতে মহানগরীতে আরও ৯টি টিকাদানকেন্দ্র বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। এজন্য একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতরে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রস্তাবটি বর্তমানে অধিদফতরের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। অনুমোদন পেলে নগরীতে টিকাদানকেন্দ্র হবে ১১টি। টিকাদানকেন্দ্র বাড়ছে, এমনটা ধরে নিয়ে সিসিক ইতোমধ্যে ৪০ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান সম্পন্ন করেছে।
প্রস্তাবিত টিকাদানকেন্দ্রগুলো হচ্ছে- নগর ভবন, মাতৃমঙ্গল হাসপাতাল, ধোপাদিঘীর উত্তরপাড় বিনোদিনী নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বাগবাড়ি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র, আখালিয়া বীরেশ চন্দ্র নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র, কাজীটুলা সূর্যের হাসি ক্লিনিক, টিলাগড় সূর্যের হাসি ক্লিনিক, শাহজালাল উপশহর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং কদমতলী নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র।
জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুতে সিলেটে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়ে টিকাপ্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতে সিলেটে টিকা গ্রহণে মানুষের আগ্রহ ছিল কম। তবে গেল প্রায় মাসখানেক ধরে টিকার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে সবার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে সিলেট মহানগরীতে টিকাদানকেন্দ্র আছে দুটি। একটি এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, অপরটি বিভাগীয় পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে। এই দুই কেন্দ্রে ১০টি বুথের মাধ্যমে টিকা প্রদান করা হচ্ছে। কিন্তু দুটি কেন্দ্রের মাধ্যমে টিকাপ্রদানে বেগ পোহাতে হচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মীদের।