খুলনা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ভেতরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কফিন কারখানার সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই ঘটনায় দুদক কর্মকর্তারা আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ পাওয়া সুইপার জাহাঙ্গীর হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে বহিষ্কার করার সুপারিশ করেছেন। দুদক খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাওন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আজ সোমবার দুপুরে হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে কফিন কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। এসময় হাসপতালের বর্হিবিভাগ নানা অনিয়মের অভিযোগে দায়িত্বরত চিকিৎসকের কক্ষ থেকে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাড ও প্যাথলজি স্লিপ উদ্ধার হয়। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও টাকার বিনিময়ে সাধারণ রোগীদের ওইসব ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হয়।

দুদক কর্মকর্তা জানান, হাসপাতালের মর্গের পাশে আলাদা দুটি ঘর করে কফিন তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছেন সুইপার জাহাঙ্গীর। তিনি একটা ঘর কারখানা হিসেবে, অন্য ঘরটি গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করছে। যেসব লোকজন লাশ নিয়ে আসে তাদের কাছে সে জোর করে কফিন বিক্রি করতো। এজন্য কফিনের কারখানাটি করেছে। কফিন বিক্রির সময় তাকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে। জাহাঙ্গীরের আউটসোর্সিং বাতিল করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বলেছি।

অভিযান বিষয়ে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ সাংবাদিকদের বলেন, অভিযুক্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগেও তাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো পরিবর্তন হয়নি।

কালের কণ্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *