দেশে আরও ২৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ২৩৩ জনই রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ৩ দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮০।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ১১ হাজার ২৩৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আজ শুক্রবার ১ হাজার ২৫৭ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিল। তাদের মধ্যে ১ হাজার ১২০ জন ভর্তি ছিল রাজধানীর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে। আর বাকি ১৩৭ রোগী ভর্তি ছিল অন্যান্য জেলায়।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব চলছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর বছরভিত্তিক তথ্য রাখছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৯ সালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা এর আগের সব বছরের রেকর্ড ছাড়ায়। চলতি বছরের এ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা দেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্তের ঘটনা।

ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারণ (ডেডিকেটেড) করে দেওয়া রাজধানীর পাঁচটি সরকারি হাসপাতালের মধ্যে চারটিই এখনো সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত নয়। এসব হাসপাতালে রোগী এলে অন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকায় ২৩ আগস্ট রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, কমলাপুরের রেলওয়ে জেনারেল হাসপাতাল, আমিনবাজারের ২০ শয্যা হাসপাতাল, মিরপুর মাজার রোডের লালকুঠি হাসপাতাল ও কামরাঙ্গীরচরের ৩১ শয্যার হাসপাতাল—এই পাঁচ হাসপাতালকে ডেঙ্গুর চিকিৎসার জন্য নির্ধারণ করে দেয় সরকার। এর মধ্যে চারটিতেই রোগী ভর্তি না করায় চাপ বেড়েছে মিটফোর্ড হাসপাতালে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দৈনিক রাজধানীর ১২টি সরকারি ও ৩০টি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীর তথ্য দেয়। এর মধ্যে ডেঙ্গুর জন্য নির্ধারিত পাঁচটির মধ্যে শুধু মিটফোর্ড হাসপাতালের তথ্য দেওয়া হয়। আজ রাজধানীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিল ৭০৭ জন। আর সরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে মিটফোর্ড হাসপাতালেই ভর্তি ছিল ২০৪ জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *