জাহিদ হাসান : খুব সহজেই দেশের বাহিরে যেতে চাই! এটা এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে!

আপনি হয় ডাক্তার না হয় মেডিকেল/ডেন্টাল স্টুডেন্ট। দেশের বাহিরে যেতে চাইলে আপনার হাতে ২টি অপশন আছে!

১। পড়াশুনার জন্য যেতে পারেন
২। ডাক্তার হিসেবে জব করার জন্য যেতে পারেন। (এক্ষেত্রে যেই দেশে যেতে চাইবেন সে দেশের লাইসেন্স এক্সাম পাশ করে জব খুজতে হবে। বিভিন্ন লাইসেন্স এক্সাম সম্পর্কে ইতিপূর্বে প্ল্যাটফর্ম গ্রুপেই অনেক পোস্ট করা হয়েছে, শুধু নাম ধরে সার্চ করলেই গ্রুপে সব পেয়ে যাবেন)

খুব সহজ না? মাত্র ২টি অপশন, তাহলে প্রথম কাজ মনস্থির করা কোনটায় আপনি যেতে চাচ্ছেন! ভাবছেন কিভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন?
সবচেয়ে জনপ্রিয় ডেস্টিনেশন কোথায় জানেন?
হয় ইউরোপ, নাহয় ইংলিশ স্পীকিং কান্ট্রি যেমন USA, UK, Australia, Canada, New Zealand
পড়াশুনার জন্য যেতে চাইলেঃ
কোনটা ভালো?
-সবই ভালো। একেকটা একেক জনের জন্য ভালো। যারা বেসিক/প্যারা-ক্লিনিক্যাল সাবজেক্ট গুলোর উপর মাস্টার্স/পিএইচডি করতে চান তারা ইউরোপ/ইংলিশ স্পীকিং কান্ট্রি যেকোনোটায় যেতে পারেন! কিন্তু যারা পড়াশুনা শেষে সেখানে স্থায়ী বসবাসের চিন্তা করছেন তারা USA, UK, Australia, Canada এর কথা ভাবতে পারেন। ইউরোপে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ আছে কিন্তু সেটা অনেক বেশী স্ট্রাগ্লিং। আপনাকে সে দেশের ভাষ ফ্লুয়েন্টলি জানতে হবে, দিতে হবে ভাষায় পারদর্শীতার পরীক্ষা! সাথে পড়াশুনা শেষে থাকতে হবে হ্যান্ডসাম স্যালারীর জব অফার, তাহলেই কেবল নাগরিকত্বের কথা ভাবতে পারেন। যারা পড়াশুনা শেষে দেশে ব্যাক করতে চান তাদের জন্য ইউরোপ বেস্ট চয়েজ। কেননা ইউরোপ খুব এফর্ডেবল। তবে ইউরোপের একটি দেশই আছে যারা অলমোস্ট ফ্রী পড়াশুনার সুযোগ দেয় এবং নাগরিকত্ব পাওয়া তুলনামূলক সহজ তা হচ্ছেঃ জার্মানী।
এরপর?
1.Country choose
2.State choose
3.University choose
4. WES Evaluation
5.Self-financed/ Funding
6.Language proficiency
7. Letter of Recommendation (LOR)
8. Statement of Purpose (SOP)

Country Choose: যে দেশের ওয়েদার এর সাথে আপনি এডজাস্ট করতে পারবেন, যেখানে ভালো জব এবং পার্মানেন্ট রেসিডেন্সির ফিউচার আছে, তিউশন ফিস এফোর্ড করতে পারবেন, পরিচিত কেউ আছে এরকম কান্ট্রি বাছাই করাটা ভালো।
State Choose: মেগাসিটি গুলোতে পার্ট-টাইম জব অনেক বেশী পাওয়া যায়, কিন্তু লিভিং অনেক বেশী এক্সপেন্সিভ। আবার পেরিফেরি তে আপনি জবের সুযোগ কম পাবেন কিন্তু লিভিং এফোর্ড করার মত। আবার পেরিফেরি তে খুব দ্রুত পিআর হয় (বিশেষ করে কানাডায়)। মানে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ।
University Choose: ইউনিভার্সিটির র্যাংকিং দেখে নিতে পারেন QS র্যাংকিং থেকে, পাশাপাশি সেই ইউনি সেই দেশের সরকার স্বীকৃত কিনা সেটাও চেক করে নিতে ভুলবেন না। যেমন বাংলাদেশের সব ভাল ইউনিভার্সিটি ইউজিসি এপ্রুভড।
WES Evaluation:
WES কী? কিভাবে প্রসিড করতে হয়?
= World Education Service. আপনার MBBS এর মার্ক
আমেরিকান সিস্টেমে কনভার্ট করে সিজিপিএ বের করবে এরা।
প্রসিডিউর-
১। ২১২ ইউএস ডলার পে করে অনলাইনে একাউন্ট খুলার পর
আপনাকে একটা রেফারেন্স নাম্বার দেয়া হবে।
২। তারপর WES ফর্ম প্রিন্ট আউট দিয়ে ফিল-আপ করুন।
৩। ডিইউ এর ৩০৫ নাম্বার রুমে গিয়ে আপনার ট্রান্সক্রিপ্ট এবং
সার্টিফিকেট সত্যায়িত করুন।
৪। OCS/Fedex/DHL এর মাধ্যমে সত্যায়িত ডকুমেন্ট পাঠিয়ে
দিন।
৫। WES DU তে ই-মেইল করবে ভেরিফিকেশনের জন্য।
৬। ডিইউ থেকে কনফার্ম করলেই আপনার কাজ কমপ্লিট।

5) ‍‍Funding: যদি সেলফ-ফান্ডে পড়তে চান তাহলে সরাসরি
ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যশনাল এডমিশন অফিসে মেইল করুন। আর
যদি স্কলারশীপ পেতে চান তাহলে এই পোস্টে চলে যানঃ
https://www.facebook.com/groups/platform.bd/search/?query=Jahid%20Hasan&epa=SEARCH_BOX

6) Language Proficiency:
IELTS- International English Language Testing System.
TOEFL- Test of English as Foreigh Language
GRE- Graduate Record Exam.
GMAT- Graduate Management Admission Test.
CAT- Common Admission Test.
এগুলো আমাদের সকলেরই পরিচিত। আমরা সাধারনত IELTS,
TOEFL, GRE দিয়ে থাকি।
IELTS প্রত্যেকটা দেশের জন্য দিতে পারলে ভাল। এটা খুবই কমন
টেস্ট। IELTS এর সাথে TOEFL থাকলে ভাল। না থাকলে কোন
প্রব্লেম নাই। তবে নর্থ/সাউথ আমেরিকান কান্ট্রিগুলোর জন্য GRE
মাস্ট! GRE ছাড়া স্কলারশিপের কথা ভাবতেই পারবেন না।
7) Letter of Recommendation (LOR)
নিজের কলেজ থেকে শুরু করে ফরেইন প্রফেসর দের কাছ থেকে
লেটার অফ রিকমেন্ডেশন নেয়ার ট্রাই করুন। এটা নেয়ার সময়
ভেবে দেখবেন যিনি আপনাকে লোড় দিচ্ছে তিনি কত বড় প্রফেসর
সেটার থেকে বড় ব্যাপার হল উনি আপনাকে জন্য কতটা
ডেডিকেটেড তা। উনি যদি টাইমলি আপনার ইউনিভার্সিটি থেকে
আসা মেইল এর রেস্পন্স না করেন তবে প্রজেক্ট লস। তাই আগে
স্যারের সাথে সেভাবে কথা বলে ভেবে দেখুন উনি আপনার জন্য
কতটা হেল্পফুল হবেন। প্রয়োজনে আপনি স্যারের নামে একটি ই-
মেইল খুলে সেটা আপনি স্যারের নামে পরিচালনা করতে পারেন
স্যারের অনুমতি সাপেক্ষে।
LOR এর নিয়ম-
ইউনিভার্সিটিতে ৩জন রিকমেন্ডার এর নাম ও ই-মেইল সাবমিট
করতে হবে। তারপর ইউনিভার্সিটি থেকে লোড় এর ৩ পেইজের
একটি লিংক দেয়া হবে। সেই লিংক এ গিয়ে একটা ফর্ম পাবেন সেটা
ফিল-আপ করে দিলেই লোড় সাবমিটেড হবে।
8) Statement of Purpose:
আপনার উদ্দেশ্য, আপনার প্ল্যানিং সবকিছুই অল্প কথায় এখানে
লিখতে হবে। সত্যিকার অর্থে এই ব্যাপারটাই সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট এবং
কমপ্লিকেটেড। ধরুন আপনি টক্সিকোলোজি তে পড়তে চাইছেন,
আপনি যদি মাইক্রোবায়োলোজীর কোন প্রফেসরকে নক করে থাকুন
তবে তা ভুল হবে। এবং সে ক্ষেত্রে আপনি কোন রেস্পন্স পাবেন না,
এটাই স্বাভাবিক। ট্যাকনিক্যাল ব্যাপার হল আপনি টক্সিকোলোজীর
একটি রিসার্চ প্রোপোজাল জুড়ে দিন! প্রফেসর স্যার খুশী হয়ে
আপনাকে ফুল-ফান্ডিং থেকে শুরু করে রিসার্চ এসিস্ট্যান্টশীপ/ টিচার্স
এসিস্ট্যান্টশীপ দিয়ে দিতে পারে!!
RA-(Research Assistantship|)- ইউনিভার্সিটির রিসার্চ
প্রজেক্টে কাজ করে কিছু আর্নিং করা যায়।
TA-(Teachers Assistantship)- প্রফেসর স্যার খুশী হলে
আপনাকে উনার এসিস্ট্যান্টশিপও দিয়ে কিছু আর্নিং এর ব্যবস্থা করে
দিবে।

স্কলারশীপের জন্য যে দুটি ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করবেনঃ
ল্যাব-ওয়ার্কিং এক্সপেরিয়েন্সঃ
প্যারা-ক্লিনিক্যাল সাবজেক্টগুলোতে স্কলারশিপ পেতে চাইলে ল্যাব ওয়ার্কিং এক্সপেরিয়েন্স খুব জরুরী। বাংলাদেশে ICDDR,B , IEDCR, BSMMU, BIRDEM এ যে প্রজেক্ট রান হয় সেগূলোতে জব এক্সপেরিয়েন্স থাকলে সেটা ল্যাব-ওয়ার্কিং এক্সপেরিয়েন্স হিসেবে কাজ করবে। আর প্রজেক্ট যদি রিসার্চ ভিত্তিক প্রজেক্ট হয় তবে একসাথে ১। ল্যাব-ওয়ার্কিং এক্সপেরিয়েন্স এবং ২। রিসার্চ এক্সপেরিয়েন্স হিসেবে কাজ করবে। আমাদের দেশে ল্যাব-ওয়ার্ক করার সুযোগ খুব কম। ইন্ডিয়ান স্টুডেন্টরা তুলনামূলক বেশী ফান্ডিং পায় কারন তারা প্রচুর ল্যাব ওয়ার্ক করে।
পাবলিকেশনঃ
পাবলিকেশন কী?
=আপনার রিসার্চ পেপার যখন একটি জার্নালে পাবলিশ হবে তখন আপনার একটি পাবলিকেশন হবে।
-জার্নাল অনেক রকমের হয়। তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে peer-reviewed journal. আপনি যখন একটি peer-reviewed journal এ পেপার সাবমিট করবেন তা কয়েকজন রিভিউয়ার দেখে সম্মতি দিলে তা ইডিটরদের কাছে যাবে। ইডিটর রা দেখবেন জার্নালে পাবলিশ হবার সকল নিয়ম-কানুন মেনেছে কিনা। কোন ত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের জন্য আপনাকে বলা হবে। পিয়ার-রিভিউড জার্নালের পাবলিকেশন সবচেয়ে ভ্যালুএবল। তাই চেষ্টা করুন এরকম জার্নালে পাবলিকেশন করার জন্য।
=ফান্ডিং পেতে পাবলিকেশন বাধ্যতামূলক নয়। তবে পাবলিকেশন থাকলে প্রায়োরিটি ব্যাসিসে আপনি সবার আগে ফান্ডিং অয়াবেন নিশ্চিত থাকুন যদি আপনার পিয়ার-রিভিউড জার্নালে পাবলিকেশন থাকে।

সাবজেক্ট বাছাই করার পর সেই ডিপার্টমেন্টের প্রফেসরকে মেইল করুন, উনাকে কানভিন্স করার ট্রাই করুন। ধরুন আপনি Toxicology তে ফান্ডিং পেতে চাচ্ছেন, প্রফেসরকে এমনভাবে এপ্রচ করুন Like born to be a Toxicologist!!!
মনে রাখবেন নন-ক্লিনিক্যালের চেয়ে প্যারা-ক্লিনিক্যালের ফিউচার ভাল। কেননা ফান্ডিং বেশী পাওয়া যায় এবং পড়াশুনা শেষে জব এভেইলএবল থাকে। এখানে রিসার্চটাই উল্লেখযোগ্য সাথে ল্যাব-ওয়ার্ক মাস্ট!! নন-ক্লিনিক্যাল এর জব পার্স্পপেক্টিভ ভাল না। তাই যারা পড়াশুনার শেষে PR (Permanent Residency) উদ্দেশ্যে যাবেন তাদের জন্য এটা লস প্রজেক্ট। কেননা কোর্স শেষে নিজ দেশে ব্যাক করতে হবে।

MSc VS PhD:
আপনার প্রোফাইল খুব ভালো হলে পিএইচডির কথা ভাবতে পারেন, কেননা বেশীরভাগ দেশেই পিএইচডি ওয়ার্কিং এক্সপেরিয়েন্স হিসেবে দেখা হয় যা কিনা আপনাকে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করতে যোগ্য করে তুলবে।
পিএইচডি রিসার্চ বেইজড তাই কেউ রিসার্চে আগ্রহী না হলে এদিকে না যাওয়াই ভালো। মাস্টার্স ২ রকমেরই হয় যেমন, কোর্স বেইজড যেখানে তেমন একটা রিসার্চের প্রয়োজন হয়না, কিন্তু থিসিস বেইজড মাস্টার্স প্রোগ্রামে গেলে অবশ্যই রিসার্চ এর আইডিয়া থাকা উচিত। মাস্টার্স এ ফান্ড পেতেও পারেন, নাও পেতে পারেন। কিন্তু আলমোস্ট সব পিএইচডি ফুল ফান্ডেড হয় এবং সাধারনত উলটো আপনাকে মান্থলি স্টাইপেন্ড পে করে।

USA:
ব্যাচেলর, মাস্টার্স বা গবেষণার জন্য সব সময়ই আমেরিকা সকলের লিস্টের প্রথমে থাকে। কারণ সবচাইতে বেশি স্টাইপেন, উন্নত শিক্ষা, স্থায়ীভাবে বসবাস, ভালো গবেষণার সুযোগ এবং বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় গুলো এদেশে থাকায় শিক্ষার্থীরা আমেরিকাকে পছন্দের শীর্ষে রাখে। এমনকি তাদের প্রফেসরদের লেখা বই গুলো ইউরোপ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাঠ্যবই হিসেবে পড়ানো হয়।
তবে সকলেই হার্ভার্ড বা এম. আই. টিতে চান্স পাবেনা। এবং সেল্ফ-ফান্ডে পড়াশোনা করার জন্য আবেদন করতে চাইলে মাথায় রাখতে হবে ভিসা জটিলতার কথা।
Fulbright Scholarship: http://foreign.fulbrightonline.org/about/foreign-fulbright
AAW International Fellowship For Women: https://www.aauw.org/…/education…/international-fellowships/
Canada:
মাইগ্রেশান বা উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডা অনেকেরই স্বপ্নের দেশ। স্বপ্ন বাস্তব করতে হলে GRE, IELTS স্কোর ভালো থাকতে হবে মাস্টার্স এবং গবেষণার শিক্ষার্থীদের। প্রফেসর স্যারকে ম্যানেজ করার জন্য একটু পরিশ্রম করতে হবে।
Vanier CGS: http://www.vanier.gc.ca/en/home-accueil.html
★ সবচাইতে জরুরি একটা বিষয় আমাদের শিক্ষার্থীদের মাথায় রাখতে হবে তা হলো, উচ্চ শিক্ষা শুধু মাত্র আমেরিকা, কানাডা বা ইউরোপেই হয় অন্য কোথাও পড়াশোনা হয় না এই চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তাই সারা বিশ্বের বৃত্তি ও কোথায় কি সুবিধা আছে তাই তুলে ধরার ক্ষুদ্র চেষ্টা করা মাত্র।

Bahamas:
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার পাশে ছোট কিছু দ্বীপ নিয়ে সুন্দর একটি দেশ। শুনেছিলাম এখানের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইমেইলের তেমন রেসপন্স পাওয়া যায় না। ২০১৬ এর দিকে কিছু শিক্ষার্থী গিয়েছিল। নতুন কোন আপডেট জানা নেই। যেহেতু বাংলাদেশি এখানে নাই বললেই চলে তাই ব্লগ এবং গুগল থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। মাস্টার্স শিক্ষার্থীরা চেষ্টা করবেন যদি সাবজেক্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসপন্স পান তাহলে একটু চেষ্টা করবেন। https://scholarshipsbahamas.com/scholarships/

South Korea:
একটু কমপিটেটিভ জাপানের মত। কারণ বৃত্তি সংখ্যা সীমিত। যার যোগ্যতা যত বেশি সে লিস্টের মধ্যে থাকবে। এদেশে ব্যাচেলর, মাস্টার্স বা গবেষণার জন্য সকলেই আবেদন করতে পারেন।
KGSP: http://www.studyinkorea.go.kr/en/sub/gks/allnew_exchange.do
আমাদের দেশে কিছু ফার্ম কোরিয়া নিয়ে মন ভোলান বিজ্ঞাপন দেয়। কখনোই তাদের কাছে পরামর্শ চাওয়ার জন্যও যাওয়া যাবেনা।

China:
আনেক বিশ্ববিদ্যালয়, অনেক সুযোগ। ব্যাচেলরে স্টাইপেন্ড দেয় এবং প্রচুর শিক্ষার্থী যাচ্ছে। মেডিকেল শিক্ষার্থীরা একটু খোঁজ নিয়ে যাবেন যে কোথায় যাচ্ছেন মেডিসিন পড়তে। কারণ বাংলাদেশ সরকারের আলাদা নীতিমালা আছে এই বিষয়ে। একটি সমস্যা আছে আবেদনের সময়। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় তাদের রিপ্রেজেনটেটিভ ছাড়া রেসপন্স দেয়না। তবে হাজারো বিশ্ববিদ্যালয় আছে যারা এজেন্ট ছাড়া কাজ করবে। তাই একটু খোঁজ নিতে পারেন চায়নার গ্রুপ গুলোতে।
CSC: https://www.chinesescholarshipcouncil.com

Hong Kong:
বাংলাদেশ থেকে অনেকই যাচ্ছেন। ভালো একটা সিদ্ধান্ত হবে যদি পড়াশোনা করতে চান। কারণ এশিয়ার সহ পৃথিবীর শেরা বিশ্ববিদ্যালয় এখানে পাবেন। ব্যাচেলর বা মাস্টার্স, গবেষণা বা শর্ট কোর্সের জন্য আমাদের জন্য ভালো সুযোগ রয়েছে।
https://www.studyinhongkong.edu.hk/…/hong-…/scholarships.php
HKSAR: https://www.edb.gov.hk/…/publicly-funded-p…/scholarship.html

South Africa:
ডাচ উপনিবেশ দেশগুলোর একটি দক্ষিণ আফ্রিকা। পড়াশোনা মান বেশ ভালো। ভিসা জটিলতা তেমন নেই ইদানীং, তবে ইন্ডিয়া যেতে হবে ভিসার বিষয় গুলোর জন্য। কাজের ভিসা নিয়ে অনেকে যায় তা আমরা যানা নেই কি ভাবে যায়। খোঁজ নিবেদন ব্লগ বা গুগলে। পরিচিত কেউ থাকলে তারা হয়তো ভালো তথ্য দিতে পারবে।

Home

Australia:
সাধাণত ব্যাচেলরে ২৫% টিউশন ফিসের ছাড় দেয়। মাস্টার্সেও তেমন স্কলারশিপ দেয়না। টিউশন ফিস বেশি হলেও খণ্ডকালীন চাকরির সহজলভ্যতা, উন্নত শিক্ষা, স্থায়ী বসবাসের সুবিধা এবং ইংলিশ স্পিকিং দেশ হওয়াতে আমাদের শিক্ষার্থীরা বেশ আগ্রহ নিয়ে আবেদন করে। বেশিরভাগের পারিবারিক সাপোর্ট থাকে। যাদের ভালো ব্যাংক সাপোর্ট আছে তারাই আবেদন করা উচিৎ। ভালো IELTS স্কোর ছাড়া আবেদন করলে ভিসা জটিলতায় পরতে পারেন। কিছু স্কলারশিপ আছে গবেষণা ও মেধাবীদের জন্য।
Australia Award Scholarship: https://dfat.gov.au/…/Pa…/australia-awards-scholarships.aspx
RTP Scholarship: https://www.education.gov.au/research-training-program

International Masters Fellowship (for Public Health): https://wellcome.ac.uk/…/…/international-masters-fellowships

Erasmus Mundus:
ইউরোপের সবচাইতে প্রসিদ্ধ এই বৃত্তির কথা অনেকেই জানি। এটা সকল ই. ইউর দেশ নিয়ে ই. ইউ. কমিশন থেকে বৃত্তি প্রধান করা হয়। এক-এক দেশে এক-এক সেমিস্টার পড়াশোনা করবেন। এবছর যতটুকু জেনেছিলাম ৬০+ বাংলাদেশিরা এই বৃত্তি পেয়েছেন। শুধু মাস্টার্স ও পি. এইচ. ডি শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারেন।
https://ec.europa.eu/…/erasmus-mundus-joint-master-degrees_…

The Netherlands:
OKP: শর্ট কোর্সে বেশি পান বাংলাদেশিরা। এক বছরে তিনবার আবেদন করতে পারেন। মাস্টার্স বছরে একবার শুধু সেপ্টেম্বরে আবেদন করতে পারেন। পি. এইচ. ডির জন্য সব সময়ই আবেদন করতে পারেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডে পড়ার সুযোগ আছে। তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে সকল তথ্য পাবেন। নেদারল্যান্ডস লিস্টের প্রথম দিকে রাখতে পারেন কারণ ইউরোপের মধ্যে সবচাইতে বেশি স্টাইপেন্ড দেয় তারা এবং পি. এইচ. ডি. চাকরী হিসেবে গন্য হয়।
https://www.studyinholland.nl/…/…/orange-knowledge-programme
University Excellence Scholarship: https://www.studyinholland.nl/…/scholars…/find-a-scholarship
ফুল-ফ্রী বা টিউশন ফি কম নেয়। ব্যাচেলর বা মাস্টার্সের ছাত্ররা Holland Scholarship-এ এপ্লিকেশন করতে পারেন। যে কোন দুটা বৃত্তিতে একসাথে আবেদন করা যায়।

Sweden:
অনেকেই বিজ্ঞাপন দেয় without IELTS-এ পরিবার সহ সুইডেনে নাগরিকত্ব করিয়ে দেয়। সাথে নিচে দেয়া বৃত্তি গুলো নাকি করিয়ে দেয়। এমন লোভনীয় বিজ্ঞাপনে কান দিছেন তো কিছু টাকা ও সময় নষ্ট করলেন। কোন এজেন্সি কেন কারো সাধ্য নেই যে কাউকে বৃত্তি এনে দিবে। বৃত্তি সকল দেশেই এডমিশন বোর্ড, প্রফেসর ও বৃত্তি মঞ্জুরি কমিশন সেন্ট্রালি জাজমেন্ট করে প্রার্থী বাছাই করে। সুতরাং বৃত্তি পেতে হলে অবশ্যই যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে।
Swedish Institute Scholarship: https://www.studyinholland.nl/…/scholars…/find-a-scholarship
Swedish Scholarship: https://studyinsweden.se/scholarships/other-scholarships/

Germany:
আমাদের মধ্যে-বিত্তের সেরা পছন্দ।
ব্যাচেলরে আবেদন করতে আমাদের এ-লেভেল থাকা প্রয়োজন। যেহেতু টিউশন ফিসের চিন্তা নেই তাই ব্যাচেলর করা সহজ। মাস্টার্স বা গবেষণা শিক্ষার্থীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক গ্রুপ আছে, সেখান থেকে সকল তথ্য পাওয়া যায়।
DAAD: https://www.daad.de/deutschland/stipendium/en/

Belgium:
তারা পড়াশোনা শেষে চাকরির জন্য আবেদন করতে দেয়না। শুধুই পড়াশোনা করতে চাইলে লিস্টে রাখতে পারেন।
VLRIOUS: https://www.vliruos.be/en/scholarships/6

UK:
বৃটিশরা তাদের ফিস পেয়িং শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফি কমানোর গেজেট পাস করেছে এবছর। তাই ব্যাচেলরদের জন্য পড়াশোনা করা কিছুটা সহজ হবে। তবে মাস্টার্স বা গবেষণা শিক্ষার্থীদের জন্য নিচের দুটি বৃত্তিও বেশ প্রসিদ্ধ।
Commonwealth Scholarship: http://cscuk.dfid.gov.uk/apply/masters-scholarships/
British Chevening Scholarship: https://www.chevening.org/schola…/who-can-apply/eligibility/
France:
নিরবে ভিসা রিজেক্ট করে। এক ভাইকে চিনি উনি নেদারল্যান্ডসে ব্যাচেলর শেষে মাস্টার্সএ ফ্রান্সে আছেন বৃত্তি নিয়ে। সুতরাং, বৃত্তি নিয়ে প্রকৃত ছাত্র হিসেবে এমবাসি ফেস করলে ভিসা জটিলতা পরতে হবেনা বলে আমার বিশ্বাস। PHD-এর জন্য কোন সমস্যা হবে বলে মনে করিনা।
Eiffel Scholarship: https://www.campusfrance.org/…/eiffel-scholarship-program-o…
The Emile-Boumty Scholarship for Science: http://cscuk.dfid.gov.uk/apply/masters-scholarships/

Norway:
PHD চাকরি হিসেবে কাউন্ট হয়। মাস্টার্স ফুল ফ্রী টিউশন। No bachelor opportunity for us.
Free of Tuitions: https://www.studyinnorway.no/…/find-available-scholarships-…

Good Luck!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *